বর্তমানে এমন খুব কম মানুষই আছে। WhatsApp ব্যবহার করে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে ফোন নিয়ে WhatsApp মেসেজ দেখা, অফিসের কাজ চেক দেওয়া, বন্ধুদের মেসেজ চেক দেওয়া, পরিবারের সাথে কথা বলা, পিকচার চেক করা, দোকানের অর্ডার চেক করা, ইত্যাদি সব কিছুই এখন WhatsApp সাথে সংযুক্ত।
কিন্তু সমস্যা হলো আমরা যে WhatsApp এতো দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করছি,বাট আমরা অনেকে জানি না WhatsApp Privacy বিষয়ে। এর ফলে হঠাৎ করে ফোন স্লো হয়ে যাওয়া, ফোন স্টোরেজ ফুল হয়ে যাওয়া, অপরিচিত মানুষ কল দিয়ে বিরক্ত করে, কেউ আপনার Last Seen দেখে (হাইড না করা), আবার অনেক সময় WhatsApp Account পর্যন্ত হ্যাক হয়ে যায়।
অথচ আমরা কয়েকটা ছোট সেটিং এই মাধ্যমে আমাদের এই সমস্যাগুলো সহজেই ঠিক করতে পারি।এই পোস্টে আপনি জানতে পারবেন সমস্যা সমাধান ও কিভাবে কোন সেটিং অন বা অফ রাখবেন বিস্তারিত :-
১৫ টি সেটিং শেয়ার করবো আপনাদের মাঝে যেমন,
- Chat Lock।
- Hide Online Status।
- Blue Tick Hide।
- Profile Photo Hid
- Two-Step Verification।
- Disappearing Messages।
- Silence Unknown Callers।
- WhatsApp App Lock।
- Media Auto Download Off।
- Linked Devices Check।
- Live Location Control।
- Backup Encryption।
- Status Privacy Control।
- Mute Group Permanently।
- Chat Export Feature।
আরো পড়ুন:- WhatsApp নতুন ৭টি শক্তিশালী ফিচার এড হলো! না জানলে বড় ভুল করবেন!
Chat Lock চালু রাখা
অনেক সময় দেখা যায়, আপনি ফোনটা কাউকে দিলেন, আর সে সুযোগ বুঝে আপনার WhatsApp প্রবেশ করলো। তখন ব্যক্তিগত মেসেজ, পারিবারিক কথা, ব্যবসার হিসাব ইত্যাদি সব কিছু চোখের সামনে চলে আসলো। এটা শুধু বিব্রতকর না, অনেক সময় এই ছোটো বিষয়টি আপনার বড়ো সমস্যা কারন হয়ে দাঁড়াবে।
এই সমস্যার মূল কারণ হলো আমরা Chat Lock ফিচার ব্যবহার করি না। WhatsApp এখন এমন সুবিধা দিয়েছে, যেখানে আপনি চাইলে নির্দিষ্ট চ্যাট আলাদা করে লক করে রাখতে পারবেন। মানে WhatsApp ওপেন হলেও ওই চ্যাট খুলতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা Face Unlock লাগবে।
আপনি যদি Settings > Privacy > Chat Lock এ গিয়ে এই অপশন চালু করেন, তাহলে গুরুত্বপূর্ণ চ্যাটগুলো নিরাপদ থাকবে। বাস্তবে যারা দোকান চালান বা অনলাইন কাজ করেন, তাদের জন্য এটা খুব দরকারি। কারণ ক্লায়েন্টের তথ্য বা অর্ডারের কথা অন্য কেউ দেখলে সমস্যা হতে পারে।একটা ভালো অভ্যাস তৈরি করুন
যে চ্যাটগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো Lock করে রাখুন। এতে আপনার মাথার টেনশন অনেক কমে যাবে।
Last Seen Hide রাখা
অনেকেই এই কমন সমস্যাটি নিয়ে ভুগেন। আপনি একটু সময় নিয়ে তাকে রিপ্লাই দিতে চান, বা তার সাথে রাগ করে মেসেজ রিপ্লাই দিতে চান না। কিন্তু Last Seen অন থাকার কারনে সে দেখে পেললো আপনি অনলাইনে আছেন না চলে গেছেন লাইন থেকে।
তারপর প্রশ্ন আসে “অনলাইনে ছিলা, রিপ্লাই দিলে না কেন?” “কার সাথে কথা বলো” ইত্যাদি বিষয় নিয়ে অযথা চাপ তৈরি হয়।এই চাপের মূল কারণ হলো Last Seen এবং Online Status খোলা রাখা। WhatsApp আপনাকে এই সুযোগ করে দিয়েছে অফ করে রাখা। কে দেখবে, আর কে দেখবে না।
Settings > Privacy > Last Seen & Online এ গিয়ে আপনি চাইলে শুধু নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে বাদ দিতে পারেন। এতে করে অপ্রয়োজনীয় মানুষ আপনার অনলাইন অ্যাক্টিভিটি দেখতে পারবে না।
যারা কাজের সময় বা পড়াশোনার সময় শান্তিতে থাকতে চান, তাদের জন্য এই সেটিং সত্যিই অনেক উপকার হবে আমি মনে করি।
Blue Tick Hide রাখা
অনেক সময় আমরা মেসেজ পড়ি, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে রিপ্লাই দেওয়ার সময় থাকে না। বা নিজের মানুষের সাথে রাগ করে মেসেজ রিপ্লাই দিতে চাই না। Blue Tick on থাকলে এই সমস্যা হয়, যেমন আপনি ওই চ্যাটে টুকে মেসেজ দেখতে হবে। আর তখন শো করে Seen মানি মেসেজ দেখছেন।
কিন্তুু এটার সহজে সমাধান করা যায় Settings → Privacy → Read Receipts Off করুন। ফলে Notification Bar থেকে মেসেজ পড়া যায়। WhatsApp নিজের মানুষের চ্যাট ওপেন না করেই মেসেজ দেখা যায়। যার ফলে আর Seen যায় না। এতে আপনি নিজের সময় অনুযায়ী রিপ্লাই দিতে পারবেন, অযথা চাপও কমবে আর থাকছে না।
Profile Photo Hide রাখা
আপনি চাইলে আপনার প্রোফাইল ছবি শুধু কন্টাক্টদের দেখাতে পারবেন, বা নির্দিষ্ট মানুষকে বাদ দিতে পারবেন ও দেখাতে পারবেন, এটা ম্যানুয়াল ভাবে সিলেক্ট করতে পারবেন, এমনকি চাইলে আপনি না দেখাতে চাইলে পুরোপুরি লুকিয়েও রাখতে পারবেন।
যেমন Settings > Privacy > Profile Photo থেকে এই অপশন সেট করা যায়। এতে অচেনা মানুষ আপনার পিকচার দিয়ে কোনো ঝামেলা করতে পারবে না। ফলে আপনি থাকবেন সেভ।
Two-Step Verification অন রাখা
আমরা অনেকে এই ছোটো বিষয়টি জানি না। কিন্তুু এই ছোটো বিষয়টি একসময় অনেক বড়ো সমস্যার কারন হয়ে দাঁড়ায়। তার মূল কারন WhatsApp Two-Step Verification বন্ধ থাকা।
এই ফিচার চালু করলে নতুন ফোনে আপনার WhatsApp লগইন করতে অতিরিক্ত PIN লাগবে। এতে আপনার নাম্বার জানলেও অনেকে নতুন ফোনে লগইন করতে পারছে না। এতে হ্যাকার যদি ভুলে OTP ও পায় ঢুকতে পারবে না
অন করার নিয়ম Settings > Account > Two-Step Verification > Enable > PIN set > Confirm চালু করলেই আপনি অনেকটা নিরাপদ থাকতে পারবেন হ্যাক থেকে।আমার মতো আপনারা সবসময় অন করে রাখবেন Two-Step Verification।
আরো পড়ুন:- বাংলাদেশে 5G কবে নাগাদ চালু হবে? 5G বর্তমান অবস্থা কি
Disappearing Message অন রাখা
Disappearing Message ব্যবহার করলে এই ঝামেলা থাকবে না।অনেক সময় বছরের পর বছর চ্যাট জমে থাকে। হাজার হাজার মেসেজ, ছবি, ভিডিও। এতে WhatsApp ওপেন হতে দেরি হয়, নেট স্লো কাজ করে,ফোন হ্যাং করে।এই সমস্যার জন্য WhatsApp দিয়েছে Disappearing Message Feature। আপনি চাইলে সেট করতে পারবেন, নির্দিষ্ট সময় পর মেসেজ অটো ডিলিট হবে।
যেভাবে অন করবেন Settings > Privacy > Default Message Timer থেকে 7 Days বা 90 Days দিলে পুরনো চ্যাট নিজে নিজে ক্লিন হতে থাকবে। যারা অনেক গ্রুপে যুক্ত আছেন, তাদের জন্য এটা বেষ্ট একটা সেটিং আমি মনে করি।
Silence Unknown Callers অন রাখা
আজকাল স্ক্যাম কল, মার্কেটিং কল, বিজনেস কল বা অপ্রয়োজনীয় কল WhatsApp নিয়ে আসছে। অনেক সময় ফোন রিং হয়, ধরার পর দেখা যায় অচেনা নাম্বার। বিরক্তকর কথা-বার্তা, এতে সময় নষ্ট হয়, অনেক সময় নিজের কাছেও বিরক্তিও লাগে।
এই সমস্যার সহজ সমাধান হলো Silence Unknown Callers। এই ফিচার চালু করলে অপরিচিত নম্বর থেকে কল এলে ফোন বাজবে না। কল লিস্টে থাকবে, কিন্তু আপনাকে বিরক্ত করবে না।
অন করার নিয়ম Settings > Privacy > Calls এ গিয়ে এই অপশন অন করলেই কাজ শেষ। যারা ব্যবসার কাজে WhatsApp ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটা বিশেষভাবে দরকারি আমি মনে করি।
WhatsApp App Lock রাখা
অনেক সময় আমরা কাউরে ফোন দিলে সে আমাদের WhatsApp টুকে আমাদের মেসেজ চ্যাট চেক করে, ফলে আমাদের প্রাইভেসি নষ্ট হয়। আর এই সমস্যা না পড়তে চাইলে WhatsApp App Lock দিয়ে রাখা ভালো। যার ফলে অন্য কেউ ফোন ধরলেও বা নিলেও WhatsApp খুলতে পারবে না, প্রাইভেসি সুরক্ষিত থাকে।
যেভাবে অন করবেন Settings → Privacy → Fingerprint Lock/Face ID → Enable → Lock delay সেট করুন।আমাদের যে সমস্যা পড়তে হবে প্রতিবার খুলতে PIN বা Fingerprint দিতে হয়, কিছু সময় লাগতে পাড়ে।
Auto Download বন্ধ রাখা
আমরা দেখি অনেকে কিছু নাই ফোনে, ভিডিও,পিকচার, সফটওয়্যার, তারপরও ফোন ভরে গেছে। এটার কারন Auto Download অবশন on রাখা। যার ফলে WhatsApp ফাইল আমাদের ফোন ভরে ফেলেছে।আসলে দোষ WhatsApp-এর না, দোষ আমাদের সেটিংসের।
গ্রুপে কেউ ভিডিও দিলেই সেটা অটো ডাউনলোড হয়। ছবি, অডিও, GIF—সব জমতে জমতে ফোন ভর্তি হয়ে যায়।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য Settings > Storage and Data এ গিয়ে Auto Media Download অপশন বন্ধ করতে হবে। তখন শুধু প্রয়োজনীয় ফাইল আপনি নিজে ক্লিক করে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর নিজে নিজে তখন ডাউনলোড হচ্ছে না।
এই ছোট সেটিং টি আগের তুলনায় আপনার ফোনকে অনেক ফাস্ট করে দিবে।
আরো পড়ুন:- VPN এর কারনে ইন্টারনেট স্লো হয় কেন? গোপনে স্পিড বাড়ানোর টিপস
Linked Devices সুবিধা কি
Linked Devices ফিচার দিয়ে আপনি একই WhatsApp একাধিক ফোন বা কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন। অফিসের কাজের জন্য বা যারা ২-৩ টি ডিভাইস চালায় তাদের জন্য এটা খুব সুবিধাজনক ।
তবে নিরাপত্তার জন্য মাঝে মাঝে Linked Devices চেক করে রাখা ভালো। কারন অচেনা ডিভাইসে যদি লগইন করা থাকে তা Remove করা জরুরি। না হলে আবার হ্যাক হওয়ার চান্স থাকতে পারে।
আরো পড়ুন:- ফ্রিতে VPN ব্যবহার করা কি আমাদের জন্য আসলেই নিরাপদ?
WhatsApp Live Location Control সিস্টেম অন করা
WhatsApp-এ আপনি আপনার Live Location অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারেন, যেমন আপনি এখন কোথায় আছেন, সেই লোকেশন সেট করলে, আপনারে সে খুঁজে পাবে।
এটি করার জন্য প্রথমে যাকে পাঠাবেন তার চ্যাট খুলুন, তারপর Attach (📎) → Location → Share Live Location এ যান। এখানে আপনি সময় সেট করতে পারবেন, যেমন 15 মিনিট, 1 ঘন্টা বা 8 ঘন্টা। আপনার লোকেশন যতক্ষণ শেয়ার করা থাকবে, অন্যরা সেটা দেখতে পারবে আপনি কই আছেন। সুবিধা: এটি বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীর সঙ্গে আপনার আসল অবস্থান শেয়ার করার জন্য খুবই সুবিধাজনক।
এটি অনেক সুবিধা যেমন আপনি কাউকে সহজে তার অবস্থান খুঁজে পেতে চান, তখন খুব কাজে লাগে।তবে দীর্ঘ সময়ের জন্য লোকেশন শেয়ার না করাই ভালো। কারন এতে করে আপনার ফোনের battery দ্রুত র্চাজ শেষ হবে। এছাড়া ও লোকেশন শেয়ার করলে আপনার পাইরেসি নষ্ট হতে পারে।
Backup Encryption অন রাখা
অনেকে Google Drive-এ Backup রাখেন, কিন্তু সেটা Encryption না হলে ঝুঁকি থাকে।End-to-End Encrypted Backup অন করলে আপনার Backup-ও নিরাপদ হয়।
কেউ চাইলেও ডাটা পড়তে পারবে না, চুরি করতে পারবে না। অবশ্যই এই সেটিং অন করে Backup রাখবেন।
এটা নতুনদেন জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সেটিং। যা খুব কাজে দেবে।
Status Privacy Control অন রাখা
WhatsApp-এ আপনি আপনার Status বা স্টোরি কে দেখতে পারবে বা কে দেখতে পারবে না তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
যেমন কিভাবে অন করবেন Settings → Privacy → Status এ গিয়ে আপনি ঠিক করতে পারবেন, আপনার স্টেটাস Everyone, My Contacts, বা শুধু নির্দিষ্ট কেউর জন্য (My Contacts Except… / Only Share With…) দেখা যাবে। এর মাধ্যমে আপনি চাইলে বন্ধুরা দেখুক, পরিবার দেখুক, বা কোনো নির্দিষ্ট মানুষকে পছন্দ হয় না বাদ দিতে পারবেন। এটা করে প্রাইভেসি সুরক্ষা করতে পারবেন।
তবে এইভাবে কে দেখবে কে দেখবে না একে একে সিলেক্ট করতে গেলে অনেক সময়ের ব্যাপার। তবে সময় লাগলেও প্রাইভেসি ধরে রাখা ও আমাদের নিজেদের কর্ত্যব।
Group Permanently Mute কি কাজ
WhatsApp-এ কোনো Group-এর notification না দেখতে মন চাইলে আপনি সেটাকে Permanent Mute করতে পারবেন।
কিভাবে করবেন Group Chat খুলুন → Group Name → Mute notifications → Always (Permanent) নির্বাচন করুন। এর ফলে ওই গ্রুপের মেসেজ আসলেও আপনার ফোনে কোনো শব্দ বা পপআপ notification যাবে না, কিন্তু মেসেজ পড়া এবং চ্যাট করা আগের মতোই থাকবে।
এটি তখন কাজে লাগে যখন গ্রুপটি খুব অ্যাক্টিভ কিন্তু আপনার প্রয়োজনীয় নয়। তবে, সব notification বন্ধ থাকায় যদি গুরুত্বপূর্ণ কোনো মেসেজ আসে, সেটা না দেখার সম্ভাবনা থাকে, তাই সময়মতো চেক করতে হবে Group টুকে।
Chat Export Feature কাজ কি
WhatsApp-এ আপনি কোনো চ্যাট বা গ্রুপের মেসেজের পুরো ইতিহাস export করতে পারবেন, অর্থাৎ অন্য জায়গায় backup বা share করতে পারবেন।
যেকোনো একটা চ্যাট খুলুন → ⋮ (More) → More → Export Chat → Media সহ বা ছাড়া নির্বাচন করুন। Export করার পরে ফাইল Email, Drive বা অন্য কোনো App-এ পাঠানো যায়।
এটি সুবিধাজনক যখন চ্যাটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করতে চান, কিন্তু বড় ফাইল হলে Email বা storage সমস্যা হতে পারে।
কেন এইসব ব্যবহার করবেন
WhatsApp Hidden Settings ব্যবহার করা মানে শুধু ফিচার চালু করা না, বরং নিজের প্রাইভেসি, সময়, ডাটা আর ফোনের লাইভ বারিয়ে নেওয়া।
আপনি যদি আজ থেকেই এই সেটিংগুলো সুন্দর ভাবে অন করে ব্যবহার শুরু করেন, তাহলে কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
প্রশ্ন ও উওর
WhatsApp কি করলে আমার চ্যাট কেউ চুরি করতে পারবে না?
যদি আপনি Chat Lock ব্যবহার করেন। এটি চালু করলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা Face Lock ছাড়া কেউ চ্যাট খুলতে পারবে না।
আমি WhatsApp অ্যাপসে থাকলেও কেউ আমাকে দেখতে পারবে না কি করলে?
Settings → Privacy → Last Seen & Online → “Nobody” বা নির্দিষ্ট কন্টাক্ট ছাড়া করুন। এতে কেউ জানবে না আপনি লাইনে আছেন কিনা।
আমি মেসেজ পড়তে চাই কিন্তু চ্যাটে না ঢুকে কিভাবে?
WhatsApp ওপেন না করেই Notification Bar থেকে মেসেজ পড়ুন খুব সহজে।
WhatsApp কেউ ফোন দিলে ডাটা খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে কি করবো
Settings → Storage and Data → Low Data Usage Mode অন করুন। এতে কলের সময় ডাটা খুব কম খরচ হবে।
গ্রুপ বা চ্যাটে অনেক ছবি ভিডিও জমে ফোন স্লো হয়ে যাচ্ছে কেন?
Auto Media Download বন্ধ করুন। Settings → Storage & Data → Auto Download সব বন্ধ রাখুন।
WhatsApp একান্ড হ্যাক থেকে কিভাবে বাঁচাবো?
Two-Step Verification চালু করুন। Settings → Account → Two-Step Verification → PIN সেট করুন। এতে OTP চুরি হলেও হ্যাকার ঢুকতে পারবে না।
কোন চ্যাট সবচেয়ে বেশি স্টোরেজ নেয় জানার উপায় আছে কি?
Settings → Storage & Data → Manage Storage। এখানে দেখবেন কোন চ্যাট/গ্রুপ কত জায়গা নিচ্ছে, বড় ফাইল এক ক্লিকেই ডিলিট করতে পারবেন।
WhatsApp-এ একই একান্ড অন্য ডিভাইসে কানেক্ট করবো কিভাবে?
হ্যাঁ, তবে Linked Devices চেক করুন। Settings → Linked Devices অফিস বা ব্যবসার জন্য সুবিধাজনক।
